গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন? Google adsense কি ?

গুগল এডসেন্সের থেকে কিভাবে আয় করবেন? Google adsense কি ?

এডসেন্স থেকে বর্তমানে লোকেরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘরে বসে আয় করছে। কিন্তু কিভাবে ? কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে আয় করা যাবে এবং এডসেন্সের কাজ কি। 

গুগল এডসেন্স একাউন্ট কি

গুগল এডসেন্স হচ্ছেগুগলের এমন একটা সার্ভিস যার মাধ্যমে এডভেটাইজ করা হয়। একটু সহজ করে বললেআপনি নিশ্চয় বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব ভিডিও গুলোতে কিছু বিজ্ঞাপন দেখেছেন। এই বিজ্ঞাপন গুলো মূলত গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

গুগল এডসেন্স গুগলের এমন একটি সার্ভিস যার দ্বারা বিজ্ঞাপনদাতারা  টাকা দিয়ে যেকোনো বিজ্ঞাপন ইন্টারনেটে দেখাতে পারেন এবং পাব্লিশার্স নিজের blog, YouTube video তে গুগলের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনলাইন টাকা আয় করতে পারেন। এইটা সোজাসোজি একটি advertising network যার দ্বারা ব্লগ এবং ওয়েবসাইট মালিকেরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন। 

এডসেন্স এমন একটি মাধ্যম যার দ্বারা আপনি অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু, তার জন্য আগে আপনার একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট, অ্যাপ অথবা ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে।

এই মাধ্যমগুলি ব্যবহার করে আপনি এডসেন্সের জন্য apply করতে পারবেন এবং এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

Google adsense কি ? 

আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো শুনেছেন যে ব্লগিং এবং ইউটিউবিং করে এডসেন্সের মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করা যায়।  তাই হয়তো আপনিও এডসেন্স কি তা জানতে চাচ্ছেন।কিন্তুকেবল ব্লগ বা ইউটিউবে চ্যানেল বানালেই তা থেকে টাকা আয় করা যায়না। টাকা আয়ের মূল ভূমিকা পালন করে গুগল এডসেন্স। কিন্তুমনেরাখবেন যে Google এডসেন্স সবচেয়ে নিরাপদ এবং সহজ উপায় অনলাইন টাকা আয় করার। আসলেসত্যি বলতে গেলে আমি বা আপনি বা যে কেউ Google এডসেন্স থেকে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবে। আপনার সঠিক নিয়ম এবং উপায় জানার সাথে নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম করার ক্ষমতা থাকতে হবে।

গুগল এডসেন্সের কাজ কি ?

এডসেন্সের কাজ হলো ব্লগ, ওয়েবসাইট, ইউটিউব এবং অ্যাপে বিজ্ঞাপন দেখানো এবং যাদের ব্লগ বা ভিডিও গুলিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে তাদেরকে অর্থ প্রদান করা।

কিন্তু, এই বিজ্ঞাপন যেগুলি আমাদের ওয়েবসাইট বা ভিডিওতে দেখানো হয় সেগুলির জন্য গুগল আগেই সেই বিজ্ঞাপনদাতা কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেয় এবং সেই টাকার থেকে ব্লগ বা ভিডিও মালিকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল টাকা দেয়। 

এইখানে গুগলের যথেষ্ট লাভ আছে। কারণবিজ্ঞাপনদাতারা বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল কে যতটা টাকা দেয় সেই পুরো টাকা গুগল পাবলিশার্সদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য দেয়না।

টাকার একটি বড়  অংশ গুগল রেখে দেয় এবং কিছু অংশ ব্লগ, ভিডিও বা অ্যাপ মালিকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য দেয়। 

গুগল এডওয়ার্ড কি?

গুগল এডওয়ার্ড হচ্ছে গুগলের আর একটি পপুলার সার্ভিস। গুগল এডওয়ার্ডের মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন প্রোডাক্ট কোম্পানীওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তাদের প্রোডাক্ট বা ওয়েবসাইট প্রচার করার জন্য চুক্তি করে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা নেয়। অতঃপর গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্লগওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব ভিডিও'তে সেই এড বা প্রচারনা দিয়ে দেয়। গুগল এডসেন্সের এড সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। প্রথমতঃ- বিভিন্ন ব্লগওয়েবসাইট বা ইউটিউব ভিডিওতে ব্যানার প্রদর্শন করায়। দ্বিতীয়তঃ- ইউটিউব ভিডিওতে টেলিভিশনের এডভেটাইজের মত ভিডিও প্রদর্শন করিয়ে। এখান থেকে গুগল যত টাকা আয় করবে তার ৬৮% ব্লগওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেলের মালিক পাবেবাকি ৩২% গুগল তাদের সার্ভিস খরছ হিসেবে রেখে দেয়। বলা যায়এডসেন্স আর এডওয়ার্ড ওরা দুই মিলেই এক কাজে লিপ্ত।

এডসেন্সের জন্য কিভাবে এপ্লাই করব?

প্রথমে উপরোক্ত নিয়ম গুলো মানতে হবে। অতঃপর Google Adsense এখানে গিয়ে ডানে উপরে Sign in বাটনে ক্লিক করে ইমেইল আর পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন হয়ে যাবেনঅথবা সরাসরি Get started বাটনে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন বা URL দিবেন। আপনার নিজস্ব ই-মেইল এড্রেস দিবেন। আবেদন করার পর মাঝে মাঝে ই-মেইল চেক করবেন। যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে জবাব অবশ্যই পাবেন। আর ত্রুটিময় কিছু থাকলে সেটাও ওরা আপনাকে জানাবে। তাদের ই-মেইল পেলে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে প্রতিটি বিষয় ভাল করে বুঝে নিয়ে কাজ করতে থাকুন। আশা করি ফলাফল ভাল হবে।

যেভাবে ব্লগের জন্য এডসেন্স এর এপ্রুভাল পাবেন।

কিভাবে গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পাবেন?  গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য প্রথমত আমাদের একটি দৃষ্টিনন্দন এবং ইনফরমেটিভ একটি ওয়েবসাইট লাগবে। যেটা আগেই বলেছি আপনার ওয়েবসাইট যদি তথ্যবহুল না হয় তাহলে সেটা কেউই পছন্দ করবে না ।

আর যখনই আপনার একটা ওয়েবসাইট দৃষ্টিনন্দন বা ইনফরমেটিভ হবে তখন ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটে তাদের তথ্য খুঁজতে আসবে।  আর এরকম একটি ওয়েবসাইট গুগলের কাছেও অপছন্দনীয়। গুগল যখন আপনার ওয়েবসাইট পছন্দ করবে তখন এডসেন্স ব্যবহার করার জন্য অনুমতি দেবে।

মোট কত'টি পোষ্ট থাকলে এডসেন্স পাওয়া যাবে?

আমার মতে যত বেশি ইউনিক পোষ্ট থাকবে তত সহজে এডসেন্স পাওয়া যাবে। তবে সর্বনিম্ন ৫০'টির উপরে পোষ্ট থাকতে হবে। কেউ বলে ১০০'টির উপরে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আমি বলবআপনি নিয়মিত পোষ্ট লিখুন এবং এডসেন্সের জন্য এপ্লাই করতে থাকুন। শুধু খেয়াল রাখবেন লেখার শব্দগুলো যেন শুদ্ধ হয়। কারণ এই লেখা ইংরেজীতে অনুবাদ হতে পারে। অনুবাদ হবার পরে শব্দে ভুল থাকলে উল্টা পাল্টা রেজাল্ট আসবে। তখন হিতে বিপরীত হওয়াটা স্বাভাবিক।

এডসেন্স পেতে একটি আর্টিকেল সর্বনিম্ন কত শব্দের হতে হবে?

আমার মতে ৫০০ শব্দের বেশি হলে ভাল হয়। কেউ বলে কমপক্ষে ১০০০ শব্দ হতে হবে। এক্ষেত্রে আমি বলবআর্টিকেল যখন লিখবেন- তখন একটু সহজ করে লিখলে ক্ষতি কি! ছোট্ট একটি কবিতা লিখতে গেলেও পাঁচশত এর বেশি শব্দ ব্যবহার করতে হয়। আর আপনি দু'ই চার লাইন লিখলে সেটা'তো আর আর্টিকেল হয় না। তাছাড়া একটি পেজে দুই চার লাইন লিখে বাকি পেজ খালি রেখে দিলে পেজের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। মানুষের উপকারে আসে এমন কিছু লেখা লিখুন যাতে মানুষ সেটা ধৈর্য সহকারে পড়ে। এমন হলে এডসেন্স পেতে আপনার বেশি অপেক্ষা করতে হবে না।

এডসেন্স থেকে আয় করতে কি কি লাগবে?

গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে চাইলেপ্রথমতঃ- আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকতে হবে। অথবা একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনের কাজ জানেন তাহলে তো ভাল কথা। আর যদি না জানেন তাহলে অন্য কাউকে দিয়ে একটি ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ সাইট বানিয়ে নিতে পারেন। ওয়েবসাইট বানানোর পর একটি ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে সেটাকে অনলাইন করতে হবে। অতঃপর ওয়েবসাইট স্পিড বাড়াতে হবে। ওয়েবসাইটের উন্নত SEO করতে হবে। প্রচুর আর্টিকেল লিখতে হবে। অন্য ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট চুরি করে কপিপেষ্ট যাবে না। মানুষের কাজে আসে এমন আর্টিকেল শুদ্ধ করে লিখতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটে সেই ওয়েবসাইট সম্পর্কিত পৃষ্টা অর্থাৎ About পেজ এবং Privacy Policy পেজ থাকতে হবে। ওয়েবসাইটে অন্য কারো এড থাকলে সেটা সরিয়ে নিতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটে যখন কিছু ভিজিটর ভিজিট করবে তখন গুগল এডসেন্সের একটি একাউন্ট খোলার জন্য এপ্লাই করতে পারেন। আপনার একটি মেইল আইডি থাকলে সহজে এডসেন্স একাউন্ট খুলতে পারেন।

আর আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে চানতাহলে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। প্রচুর শিক্ষনীয় অর্থাৎ মানুষের উপকার হয় এমন ভিডিও বানিয়ে সেখানে আপলোড করতে হবে। প্রচুর সাবস্ক্রাইবার এবং ভিউ থাকতে হবে। অতঃপর চ্যানেল'টাকে গুগল এডসেন্সের সাথে সংযোগ করতে হবে। অনেকেই বলেএডসেন্স পাওয়া খুবই কঠিন। আমি বলব- পৃথিবীতে সহজ বলে কিছুই নেই। চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এডসেন্স অবশ্যই পাবেন। একবার এডসেন্স পেলে সেটাকে রক্ষা করার জন্য তাদের নিয়ম নিতি গুলো মেনে চলতে হবে। এডসেন্স সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে এই সাইটে Google AdSense Help Community ভিজিট করতে পারেন।

Google এডসেন্সের থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন ?

গুগল এডসেন্সের থেকে অনলাইন টাকা আয় করার জন্য আপনার একটি ব্লগ বা YouTube চ্যানেল বানাতে হবে। ব্লগ বানালে তাতে আপনি নিয়মিত ভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে। এবংইউটিউব চ্যানেল বানালে আপনার তাতে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করতে হবে।

যখন আপনার ব্লগ বা YouTube চ্যানেলে visitors বা দর্শক (traffic) আশা শুরু হবে তখন আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য এপলাই করুন। এডসেন্স যদি আপনার একাউন্ট চালু করে দেয় তখন আপনি নিজের ব্লগ বা ভিডিও তে বিজ্ঞাপন দেখাতে পারবেন।

 

যতবার আপনার ব্লগ বা ভিডিও তে দেয়া বিজ্ঞাপন লোকেরা দেখবে বা তাতে ক্লিক করবে ততবার আপনাকে এডসেন্সের তরফ থেকে টাকা দেয়া হবে। এবংযখন আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার হয়ে যাবে তখন আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে।

গুগল এডসেন্স কিভাবে টাকা দেয় ?

যখন আমরা নিজের ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা ইউটুব ভিডিওতে এডসেন্সের বিজ্ঞাপন লাগাই বা দেখাই তখন তাতে বিভিন্ন রকমের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। আর, যখন আমাদের ব্লগ বা ভিডিওতে দর্শক (visitors) আসেন এবং তারা যখন সেই বিজ্ঞাপন গুলি দেখে এবং তাতে ক্লিক করে তখন গুগল এডসেন্স সেই view বা click এর জন্য আপনাকে কিছু টাকা দেয়। এরকম করে বিজ্ঞাপনে view এবং ক্লিক হতে হতে যখন আপনার adsense একাউন্টে মোট ১০০$ (ডলার) হয়ে যায় তখন গুগল আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়।

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয়

গুগল এডসেন্স এর নিয়ম: খুব সহজ একটি ব্যাপার। আপনার একটি ব্লগ থাকবে । সেখানে মাঝে মাঝে গুগল এডসেন্স এর  একটি জাভাস্ক্রিপ্ট কোড বসাতে হবে। আপনি ব্লগের  যে জায়গায় কোড স্থাপন করবেন, সেই জায়গায় গুগল কনটেন্ট এর সাথে টপিক মিলিয়ে একটি অ্যাড শো করবে। যখন ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে ইনফর্মেশন কালেকশন করার জন্য  এবং বিভিন্ন পেজে ঘুরাঘুরি করবে। বিভিন্ন পেজের মাঝখানে থাকা এড এর উপরে ক্লিক করবে । তখন আপনার ইকাম হতে থাকবে।  আপনি সেখান থেকে 68 শতাংশ পর্যন্ত কমিশন পাবেন।

কেন গুগল এডসেন্স সেরা

এখন আসুন জেনে নেই গুগল এডসেন্স কেন? গুগল এডসেন্স হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এড নেটওয়ার্ক এবং এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ । এটা সঠিক ভাবে পেমেন্ট করে এটা খুবই সহজ এবং নিরাপদ একটি মাধ্যম।

এমনকি অনেক ব্লগাররা বর্তমানে গুগল এডসেন্স এর সাথে media.net এবং  অন্যান্য নেটওয়ার্ক  ইউজ করে থাকেন।

আমি আগেই বলেছি অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজারো এড নেটওয়ার্কের মধ্যে গুগল এডসেন্স হল সেরা।  এখন প্রশ্ন আসতে পারে এটা কি পরিমানে পে করে? এটা বিভিন্ন দেশের ভিজিটর  উপর নির্ভর করে প্রতি ক্লিকে 0.01 থেকে শুরু করে 50 ডলারের উপরে পে করে ।

অবিশ্বাস্য লাগলেও সত্য গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে অনেক ব্লগার প্রতি মাসে পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকা ইনকাম করে । জনপ্রিয় একটি সাইট  mashable.com শুধুমাত্র গুগল এডসেন্স থেকে পাঁচ কোটির উপরে টাকা ইনকাম করে প্রতিমাসে।

এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি

ভালো কথা গুগল এডসেন্স থেকে আপনার একাউন্টে টাকা জমা হয়েছে এখন প্রশ্ন হলো আপনি কীভাবে সেটাকে আপনার নিজের একাউন্টে নিয়ে আসবেন ।

যখন গুগলর এডসেন্স একাউন্টে কমপক্ষে 100 ডলার পূর্ণ হবে তখন গুগল আপনাকে পেমেন্ট করার জন্য আপনার ব্যাংক ডিটেলস অ্যাড করতে বলবে। তখন পেমেন্ট সেটিং এ গিয়ে আপনার ব্যাংকের ইনফরমেশন গুলো এড করে দিবেন । কিভাবে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করবেন সেই সম্পর্কে আমার একটি ভিডিও টিউটোরিয়াল আছে আপনারা এখান থেকে দেখে নিতে পারেন ।

আমাদের বাংলাদেশের সাধারণত প্রতি মাসের ইনকাম পরের মাসের 21 তারিখে পাঠিয়ে থাকে এবং সে টাকা চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যাংক একাউন্টে সম্পূর্ণভাবে জমা হয়ে যায়। এর জন্য আপনাকে কোন টেনশন করতে হবে না।

বাংলা ওয়েবসাইট থেকে আয় 

আপনি যদি বাংলা ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজে ইনকাম করতে চান তাহলে একটাই মাধ্যম সেটি হল গুগল এডসেন্স। গুগল এডসেন্স এর চেয়ে অন্য এমন কোন মাধ্যম নেই যেগুলোতে আয় করার সহজ।

যেহেতু গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইনে আয় করা খুবই সহজ এবং খুব বেশি পরিমানে আয় করা সম্ভব তার জন্য আবার আপনাকে গুগল এডসেন্স ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।

আপনার ওয়েবসাইট থেকে যদি আপনি গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে চান তাহলে যে বিষয়গুলো অবশ্যই প্রয়োজন হবেঃ

 

ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি আর্টিকেল ইউনিক হতে হবে । অন্য কোথাও প্রকাশ হয়েছে এরকম কনটেন্ট দিয়ে গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাবেন না।

ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ইমেজ গুলোকে অবশ্যই নিজে থেকে তৈরি করে দিতে হবে অথবা অন্য কোথাও থেকে নিয়ে সেগুলো ভালোভাবে এডিট করতে হবে যাতে অন্য কোনো মালিক এটা দাবি না করতে পারে।

আপনার ওয়েবসাইটে নির্ধারিত কিছু থাকতে হবে যেমন, যোগাযোগ, ওয়েবসাইট সম্পর্কে, প্রাইভেসি পলিসি, গোপনীয়তার নীতিমালা ইত্যাদি। অতঃপর 20 থেকে 30 টি আর্টিকেল থাকতে হবে। 

আপনার ওয়েবসাইটের যদি প্রতিদিন 2000 পেজভিউ হয় তাহলে কত টাকা আয় হবে।

যদি আপনার ওয়েবসাইটে যদি  প্রতিদিন 2000 পেজভিউ হয় এবং যদি এডসেন্স ব্যবহার করেন, তাহলে এভারেজ 5 থেকে 10 ডলার আয় হতে পারে। এবং প্রতিদিন পেজভিউ বাড়ার সাথে সাথে আপনার ইনকাউটার বাড়তে থাকবে। আর যদি আপনার একই ওয়েবসাইট ইংরেজি হয় এবং 2000 পেজটি হয় সেক্ষেত্রে দেখতে হবে কোন দেশ থেকে ভিজিটর গুলো প্রবেশ করছে।

গুগল এডসেন্স এ সিপিসি 

যদি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান বা এই ক্যাটাগরির দেশ থেকে এড ক্লিক হয় তাহলে প্রতি এড ক্লিকে 0.02 থেকে 0.15 ডলার পর্যন্ত ইনকাম হতে পারে।

আর যদি আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ অষ্ট্রেলিয়া এরকম দেশ থেকে ক্লিক হয় তাহলে প্রতি এড ক্লিকে 0.25 থেকে 5.00 ডলার পর্যন্ত ইনকাম হতে পারে।

বাংলা ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে কতদিন সময় লাগে

আপনি যদি একেবার নতুন হয়ে থাকেন তাহলে ওয়েবসাইট তৈরি করার পর কমপক্ষে তিন থেকে ছয় মাস পর থেকে আপনার ইনকাম শুরু হতে থাকবে। আর যদি আপনি খুব ভালো পরিমাণে কাজ করতে পারেন বা ভাল বোঝেন সে ক্ষেত্রে প্রথম মাস থেকেই ইনকাম করা সম্ভব তবে এটি কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

কেননা আপনি যদি প্রতিদিন আপনার ওয়েবসাইটে একটি করে আর্টিকেল লিখেন তাহলে 30 দিনে 30 টি আর্টিকেল হবে। আর তখন মাত্র আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাডসেন্স এর জন্য উপযুক্ত হবে। এবং আপনি গুগল এডসেন্স এর জন্য অনুমোদন পেয়ে যাবেন কিন্তু সে সময় আপনার ওয়েবসাইটে কি পরিমান ভিজিটর আসছে সেটাই দেখার বিষয়।

অতঃপর আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনতে হবে বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করতে হবে এবং এর জন্য কিছু সময় ব্যয় করতে হবে । তারপর আপনার ওয়েবসাইটে কিছু ভিজিটর প্রবেশ করা শুরু করবে।

এতে করে একটি ওয়েবসাইট তৈরির মিনিমাম ছয় মাস পর থেকে একটি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম শুরু হয়। কেউ একটু আগে থেকে ইনকাম করতে পারে আবার কেউ এর থেকেও বেশি সময় নেয়। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url