কিস্তিতে ফ্রিজ কেনার নিয়ম।ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম ২০২২

কিস্তিতে ফ্রিজ কেনার নিয়ম।ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম ২০২২

কিস্তিতে ফ্রিজ কেনার নিয়ম ২০২২

আপনি যদি ফ্রিজ কেনার কথা ভেবে থাকেন অথচ জানেন না যে কিভাবে খুব সহজে আপনি কিস্ততে ফ্রিজ পাবেন তাদের জন্য আজকের এই ব্লগটি। কিস্তিতে পন্য ক্রয় গ্রাহকদের জন্য বেশ বড় একটি সুবিধা। একসাথে অধিক টাকা জমিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষেরা বড় কোনো পণ্য ক্রয় করতে পারে না। কিন্তু কিস্তি সুবিধা থাকলে সামান্য কিছু টাকা দিয়েও পণ্য ক্রয় করা যায়।আজ আমরা এমনই একটি পণ্য নিয়ে আলোচনা করবো যা কিস্তিতে কেনা যায়। পণ্যটি হলো ওয়ালটন ফ্রিজ। ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম নীচে আলোচনা করা হলো। 

আরো পড়ুন:

আইফোন ১৪ এই বছরেই বাজারে আসছে
ভিভো এক্স৮০ প্রো (X80 Pro ) ফোনের ফিচার ও স্প্যাসিফিকেশন
বাংলাদেশের সেরা ১০ ধনী । বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী কারা ২০২২

ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম ২০২২

দেশে তৈরি, দামে সাশ্রয়ী, এবং কিস্তি সুবিধা- সবকিছু মিলিয়ে ওয়ালটন ফ্রিজ জনপ্রিয়তায় একটি অনন্য উচ্চতায় গেছে। কিস্তি সুবিধা থাকার কারণে স্বল্প আয়ের মানুষেরাও খুব সহজেই ওয়ালটন ফ্রিজগুলো কিনতে পারছে। দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা সেলস্ সেন্টারগুলো থেকে আপনি চাইলেই ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কিনতে পারবেন। 

ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম বেশ সহজ। এতে আপনি বেশ কয়েকটি মেয়াদে পাবেন কিস্তি সুবিধা পাবেন। যেমন- ৩ মাস, ৬ মাস, ১২ মাস বা ২৪ মাস কিস্তিতে আপনি ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয় করতে পারবেন। 

যদি ৩ মাস মেয়াদের কিস্তিতে ফ্রিজ কিনতে চান তাহলে ফ্রিজের প্রকৃত মূল্য অনুযায়ী আপনাকে টাকা পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে বাড়তি কোন ইন্টারেস্ট দিতে হবে না। 

৬ মাস, ১২ মাস বা ২৪ মাস কিস্তি সুবিধা নিতে হলে আপনাকে প্রকৃত মূল্যের উপরে কিছু ইন্টারেস্ট প্রদান করতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ৮% থেকে ১২% এর মধ্যে হয়ে থাকে। 

প্রকৃত মূল্যের সাথে এই পরিমাণ ইন্টারেস্ট যোগ করে যে মূল্য আসে সেটি কিস্তি সংখ্যা অনুযায়ী ভাগ করা হয়। ফ্রিজ কেনার সময় আপনাকে এককালীন কিছু টাকা প্রদান করতে হয়। এই পরিমাণটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্ধারিত থাকে না। এটা শো-রুম বা সেলস সেন্টারের উপর অনেকাংশেই নির্ভর করে। 

তবে আপনি যত বেশি দিতে পারবেন আপনার জন্য ততটাই সুবিধা। কারণ এতে মাসিক কিস্তির পরিমাণ কমে যায়। নীচে আমরা বিভিন্ন সাইজের ফ্রিজগুলোর কিস্তি মূল্য কত আসতে পারে সেই সম্পর্কে একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।


ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম

আজকের আর্টিকেলে ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি আলোচনা করা হলো। তাই ওয়ালটন ফ্রিজ কিভাবে কিনতে হয় তার ওপর আপনাকে ভালো ধারণা চলে এসেছে। আপনি যদি এখন চাইলে আপনার মন মত করে যেকোনো ওয়ালটন ফ্রিজ কিস্তিতে কিনতে পারেন।

ওয়ালটন ফ্রিজ ১০ সেফটি দাম ২০২২

৯ সেফটি (CFT) ফ্রিজগুলো সবচেয়ে ছোট ফ্রিজগুলোর মধ্যে পড়ে। এই সাইজের একটি ওয়ালটন ফ্রিজ ১৯৫০০ থেকে ২০৫০০ টাকার মধ্যে কিনতে পারবেন। 

যদি ফ্রিজের দাম ১৯৫০০ টকা হয় তাহলে ৬ মাসের কিস্তিতে এর প্রায় মূল্য আসতে পারে ২১০০০ এর কাছাকাছি। শুরুতে ৬০০০ টাকা ডাউন পেমেন্ট দিলে ছ'মাসের কিস্তিতে আপনাকে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা কিস্তি দিতে হতে হবে। 


ওয়ালটন ফ্রিজ ১০ সেফটি দাম

আপনাদের সাথে এখন আমি যে ওয়ালটন ফ্রিজটি শেয়ার করব এই ফ্রিজটি হলো ১০ সেফটি। এই ফ্রিজটির নাম হলো ওয়ালটন WFD-1F3-RDXX। এই ফ্রিজটি আপনারা ২১,১০০ টাকা মাত্র  দিয়ে কিনতে পারবেন। আপনারা চাইলে এটি নিতে পারেন। নিচে  ওয়ালটন ফ্রিজটির কিছু তথ্য তুলে ধরছি। 

ওয়ালটন ফ্রিজ ১৩ সেফটি দাম ২০২২

১৩ সেফটির একটি আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ওয়ালটন ফ্রিজ ৩০০০০ টাকার মধ্যে কিনতে পারবেন। যদি ফ্রিজের মূল্য ৩০০০০ হয় তাহলে কিস্তি সহ এর মূল্য আসতে পারে আনুমানিক ৩৩০০০ টাকা। 

আপনি ৯০০০ টাকা ডাউন পেমেন্ট দিলে ৬ মাসের কিস্তিতে প্রতিমাসে প্রায় ৪০০০ টাকা এবং ১২ মাসের কিস্তিতে প্রতি মাসে প্রায় ২০০০  টাকা কিস্তি দিতে হবে।


ওয়ালটন ফ্রিজ ১৮ সেফটি দাম

একটি আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ১৮ সেফটি ওয়ালটন ফ্রিজ গ্লাস ডোর দাম আসতে পারে ৪১০০০ টাকা বা এর কিছুটা কমবেশি। যদি ফিজের প্রকৃত মূল্য ৪১০০০ টাকা হয় তাহলে কিস্তি সহ এর মূল্য আসতে পারে আনুমানিক ৪৫০০০ টাকার কাছাকাছি। 

আপনি ১৫০০০ টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ফ্রিজ কিনলে ৬ মাসের কিস্তিতে প্রতি মাসে আপনাকে প্রায় ৫০০০ টাকা এবং ১২ মাসের কিস্তিতে প্রতি মাসে প্রায় ২৫০০ টাকা জমা দিতে হতে পারে।

এছাড়াও বাংলাদেশের প্রায় ২৪ টি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারদের ওয়ালটন বিশেষ সুবিধা প্রদান করে থাকে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনলে সেই সমস্ত গ্রাহকরা ৬ মাসের কিস্তিতে ০% ইন্টারেস্ট সুবিধা পাবেন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url