ব্লগিং করে প্রতি মাসে ১০০০ ডলার আয় করবেন কিভাবে । ব্লগিং গাইড ২০২২

ব্লগিং বিগত কয়েক বছর আগেও মনের ভাব সবার সাথে প্রকাশের একটি উন্মুক্ত মাধ্যম ছিল কিন্ত যত দিন যাচ্ছে ব্লগিং ব্যবসায় রূপান্তরিত হচ্ছে। প্রতিদিন কম্পিটিশন বাড়ছে ব্লগিংয়ে। আজকের এই ব্লগে আমি আপনাদের সাথে ব্লগিং রিলেটেড সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। ব্লগিং করে প্রতি মাসে ১০০০ ডলার আয় করবেন কিভাবে । ব্লগিং গাইড ২০২২


ব্লগিং করে প্রতি মাসে ১০০০ ডলার আয় করবেন কিভাবে । ব্লগিং গাইড ২০২২

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়

একজন ব্লগার প্রতি মাসে ৫০০ হতে ১,০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে। পরবর্তী বছর গুলোতে ব্লগিং আয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। একজন ফুলটাইম ব্লগার প্রতি বছর গড়ে ১ লক্ষ হতে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে শুধু প্রতি সপ্তাহে ২০ হতে ২৮ ঘন্টা দিয়ে।

ব্লগের আয়ের নির্ভরতাঃ ব্লগের আয় সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভরকরে ব্লগের ট্রাফিকের উপর। আপনার ব্লগ ট্রাফিক যত বেশি হবে ব্লগ থেকে আয় তত বেশি হবে। ব্লগের আয় নির্ভর করে আরও একটি বিষয়ের উপর আর সেটা হল ইমেইল লিষ্টের উপর।

বাংলা ব্লগিং করে আয় অনুমানিক বাংলায় ব্লগিং করে আয় প্রথম বছর ৩৬০ হতে ৪০০ ডলার, দ্বিতীয় বছর ৫০০ হতে ৬০০ ডলার, তৃতীয় বছর ৭০০ হতে ১০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম হতে পারে (অনুমানিক ব্লগিং আয় )। আমি যে আয়ের কথা গুলো বললাম তা শুধু এড রেভিনিউ ভিত্তি। এড রেভিনিউ ব্যতিত হাজার হাজার উপায় আছে ব্লগ থেকে আয় করার। ব্লগিং করে প্রতি মাসে ১০০০ ডলার আয় করবেন কিভাবে । ব্লগিং গাইড ২০২২

ইংরেজি ব্লগিং করে আয় একটি ইংরেজি প্রথম শ্রেনীর ব্লগ প্রথম বছর ২৫ হাজার হতে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করে, দ্বিতীয় বছর ১ লক্ষ ডলার, তৃতীয় বছর ২৫০ হাজার ডলার এবং চতুর্থ বছর ৫ লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে। ব্লগের আয় দিন দিন ‍বৃদ্ধি পাওয়ার কারন হচ্ছে ব্লগ ট্রাফিক Revenueআপনার রেভিনিউ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্লগ আয় বৃদ্ধি পায়। অন পেজ এবং অফ পেজ SEO কি? কিভাবে এসইও করবেন ২০২২


Google adsense থেকে টাকা আয়

আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি এড পেজে ভিজিট করার জন্য জন্য পাবেন ০.০১ থেকে ০.২৫ সেন্ট, এটা অবশ্য নির্ভর করে আপনার ওয়েব সাইটের টপিক বা বিষয় নির্বাচনের উপর।

প্রতি দিন ১,০০০ হাজার পেজ ভিউ করার জন্য মাসে আয় করতে পারবেন ১০০ হতে ১৫০ ডলার

যদি কোন ব্লগের পেজ ভিউ প্রতি মাসে ১ লক্ষ হয় তাহলে মাসে আয় হবে ১,০০০ হতে ২৫,০০ ডলার। আপনার ব্লগ টপিক ইন্স্যুরেন্স হয় তবে প্রতি ব্লগ এড ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য পাবেন ০.২০ সেন্ট। অন্য সব বিষয়ের উপর ব্লগ হলে প্রতি এড পেজ ভিউ করার জন্য পাবেন ০.০২ থেকে ০,০৫ সেন্ট ( অনেক ক্ষেত্রে কম বেশি হতে পারে।


ফ্রি ব্লগ থেকে আয়

ব্লগিং শুরু করার আগে পরিকল্পনা করা জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া ব্লগিং সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব। ব্লগ শুরু করার প্রথম কাজ হচ্ছে বিষয় নির্বাচন করা। আপনি যে বিষয় নিয়ে ব্লগ তৈরি করবেন তা বাছাই করতে হবে। 

আরো পড়ুন:

উপায় অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন করলেই পাচ্ছেন ৫০ টাকা ক্যাশ রিওয়ার্ড

আপনি হয়তো ভাবছেন যে কোন বিষয় ব্লগিং শুরু করা যায়। আপনি যখন প্রফেশনাল ব্লগিং শুরু করবেন তখন সটিক ভাবে বিষয় নির্বাচন করতে হবে।


ব্লগিং থেকে কীভাবে টাকা উপার্জন করবেন

ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জনের জন্য অনলাইন উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং সেরা পদ্ধতিগুলি দেখুন।

আপনার যদি কোনও ব্লগ বা সাইট থাকে বা এইরকম কিছু শুরু করার কথা ভেবে থাকেন তাহলে জেনে রাখুন যে আপনার কাছে এখনও উপার্জন করার সুবিধা আছে। ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। এই নিবন্ধে অনলাইনে উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট মনিটাইজ করার সেরা পদ্ধতিগুলির কথা বলা আছে।

প্রাথমিক বিষয় দিয়ে শুরু করুন। মনিটাইজেশন কী? সহজভাবে বলতে গেলে মনিটাইজেশনের অর্থ হল আপনার সাইট থেকে টাকা উপার্জন করা। আপনি নিজের ব্লগে অনলাইন কন্টেন্ট থেকে উপার্জন করলে সেটিকে মনিটাইজেশন বলা হবে।

টাকা উপার্জনের জন্য আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিন

একজন ব্লগের প্রকাশক হিসেবে, আপনার অনলাইন কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন যোগ করলে সহজে টাকা পেতে পারবেন। বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার অডিয়েন্সের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পেমেন্ট করতে ইচ্ছুক। ঠিক একইভাবে বেশিমাত্রায় সার্কুলেট হওয়া সংবাদপত্রিকা বিজ্ঞাপনদাতাদের আরও বেশি চার্জ করতে পারে, আপনার সাইট এবং কন্টেন্ট যত বেশি জনপ্রিয় আপনি তত বেশি উপার্জন করতে পারবেন।

আপনার কন্টেন্টের সাথে যেসমস্ত ব্যবসার বিজ্ঞাপন আপনি দেখাতে চান সেগুলির জন্য আপনি বিজ্ঞাপন দেখানোর স্লট অফার করতে পারেন। এটিকে সরাসরি ডিল বলা হয়। আপনার হয়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর স্লট বিক্রি করার জন্য Google AdSense এর মতো বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের ব্যবহারও আপনি করতে পারেন।

আপনার ব্লগের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় উপস্থিত কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখানোর বিষয়ে AdSense সাহায্য করে। যেমন- আপনার ব্লগটি অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণের বিষয়ে থাকলে এবং Rekyavik-এ ভ্রমণ সংক্রান্ত কোনও পোস্ট এইমাত্র আপলোড করে থাকলে, AdSense আপনাকে হয়ত ভ্রমণ সংক্রান্ত বীমা, আইসল্যান্ড বা উষ্ণ পোশাক সম্পর্কে কোনও বিজ্ঞাপন দেখাবে। যেখানে বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে সেই সাইটের মালিক হিসেবে, কোনও ব্যবহারকারী যখন কোনও বিজ্ঞাপন দেখেন বা যোগাযোগ করেন তখন AdSense আপনাকে পেমেন্ট করে।


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল আপনি যখন অন্য কোনও সাইটে বিক্রয়ের জন্য কোনও প্রোডাক্ট বা পরিষেবাতে আপনার কন্টেন্টে কোনও লিঙ্ক অন্তর্ভুক্ত করেন। এটি কীভাবে কাজ করে তা এখানে রয়েছে: যখন কেউ আপনার সাইটে লিঙ্কটি ক্লিক করে, অ্যাফিলিয়েট সাইটে যায় এবং আপনার অনুমোদন করা প্রোডাক্ট কেনার জন্য প্রসেস করা হয়, আপনি বিক্রয়ের উপর কমিশন পান।

আরো পড়ুন:

গুগল এডসেন্স এর বিকল্প বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক Media.net 

প্রোডাক্টের সাজেশনে আগ্রহী এমন নিযুক্ত দর্শক সহ ব্লগের জন্য, এটি একটি কার্যকরী উপার্জনের মডেল হতে পারে। তথ্য সংক্রান্ত, কীভাবে এবং লাইফস্টাইল সংক্রান্ত নিবন্ধগুলি অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রচারের জন্য প্রচুর সুযোগ দেয়।

ব্লগ লিখে কিভাবে আয় করা যায়

ব্লগিং করে আপনি মাসে কত টাকা উপার্জন করতে পারেন? এ বিষয়ে আমরা আজকে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করব। তার আগে বলি, আজকের এই ব্লগে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়, তা সম্বন্ধে জানবো। প্রথমেই বাংলা ব্লগ থেকে কি রকম উপার্জন হয় এবং উপার্জন করা যায় তা আমার সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা থেকে বলব। গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন? Google adsense কি ?


ব্লগার কি?

ব্লগার হলো একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম। যেখানে আপনি কোন রকম হোস্টিং ছাড়াই ব্লগিং করতে পারবেন। পরবর্তীতে প্রফেশনাল ব্লগিং করতে চাইলে একটি কাস্টম ডোমেইন অ্যাড করে, ব্লগিং করা যাবে। অন্যান্য ব্লগিং প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেসের মধ্যে আপনাকে অবশ্যই হোস্টিং ক্রয় করতে হবে।


ব্লগার থেকে কি উপার্জন করা যায়?

অবশ্যই আজকের ব্লগিং করার বিষয়টি হলোঃ যে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়? কাজেই বুঝতেই পারছেন, ব্লগিং করে অবশ্যই উপার্জন করা সম্ভব। ব্লগার অর্থাৎ গুগলের ব্লগিং প্লাটফর্মে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে, প্রতিনিয়ত লেখালেখি করে উপার্জন করা যাবে। সেখানে আপনার উপার্জন আপনার ব্লগ সাইটে ভিজিটর আসার পরিমাণের উপর নির্ভর করবে।


নিশ কি?

যে টপিকে কিংবা ক্যাটাগরির ব্লগ লেখালেখি করছেন, সে টপিকই হলো নিশ।

তাছাড়া আপনি কিরকম কোয়ালিটি কনটেন্ট পাবলিশ করেন, এবং  আপনার কনটেন্ট কত বেশি অর্গানিক ট্রাফিক আসে, তার ওপরও আপনার আর্নিং নির্ভর করে।


ব্লগ থেকে আয় করার উপায়

যখন আপনি ওয়েবসাইট মনিটাইজ করবেন। যে কোন এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। যেমন ধরুনঃ গুগল এডসেন্স(Adsense, Ezoic, Adsterra, Propeller Adsএসকল এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ওয়েব সাইট মনিটাইজেশন করলে কিছু নির্ধারিত বিষয়ের উপর নির্ভর করে উপার্জন আসে। 

বাংলা ব্লগ থেকে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

বাংলা ব্লগ সাইটে মূলত বেশি উপার্জন হয়না। যেমনটা ইংরেজি ব্লগ সাইটে হয়। কারণ বাংলা ব্লগ সাইটের অডিয়েন্স মূলত বাংলাদেশি অথবা পশ্চিম ভারতীয় কিছু।

বাংলাদেশি অডিয়েন্সকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে এত বেশি উপার্জন হয় না। কারণ বাংলাদেশে এখনো ইন্টারনেটে অতটা উন্নতি লাভ করেনি। যেমনটা ওয়েস্টার্ন দেশগুলোতে উন্নতি হয়েছে। যেমন একজন আমেরিকান কেউ একটি এডে ক্লিক করলে যত বেশি উপার্জন দিবে। বাংলাদেশের কোনো ভিজিটর এডে ক্লিক করলে তার থেকে 10 গুণ কম উপার্জন দিবে।

এমন না যে, মাল্টিপল নিশে গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন দেয় না। বরং এতে কোনো সমস্যা হয় না।  ব্লগে  কিভাবে এড শো করাবে তা কন্টেন্টের কিওয়ার্ড ও অর্গানিক ট্রাফিকের ধরনের ওপর নির্ভর করে। 

 

আমি প্রায় 12 থেকে 15 টাকা পর্যন্ত সিপিসি পাই। মানে প্রতিটি এডে ক্লিক করলে আমাকে গড়ে 13 টাকা দেয়। মাঝে মাঝে হঠাৎ করে সিপিসি বেড়ে যায়। কারন  মাঝে মাঝে যদি আপনি এমেরিকান ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন তাহলেই হবে। যেমন একদিন আমার সিপিসি ছিল প্রায় 70 টাকার মতো।

সেখানে আমাকে 160 টাকা এডে ক্লিক করায় দিয়ে দেয়। যেখানে একজন এমেরিকান ভিজিটর ক্লিক করেছিল। পরবর্তীতে কিছু বাংলাদেশেরও ক্লিক পড়ে। যার কারণে গড়ে 70 থেকে 80 টাকা সিপিসি হয়।

 

আপনি যদি আপনার আর্টিকেল গুগল সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করেন। তাহলে দেখবেন শুধুমাত্র বাংলাদেশ ট্রাফিক না, ভারত, নেদারল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এমনকি আমেরিকান ট্রাফিকও আসবে। যতবেশি কিবোর্ড নিয়ে ভালো ভালো পোস্ট করবেন তত ট্রাফিক বাড়বে।

আপনার ওয়েবসাইটে যদি 200 এর অধিক পোস্ট আপলোড হয় সবশেষে। তবে সেখান থেকে খুব দ্রুত কিছু পোস্ট র‍্যাংক করা শুরু করবে। আপনার ডোমেইন অথরিটি বেড়ে যাবে। এবং ব্যাপক উপার্জন হবে। কারণ হচ্ছে সেখান থেকে ট্রাফিক ও ভিউজ আসবে।

এজন্য অবশ্যই সাজেস্ট করব, গুগলের Auto Ads অন করে রাখার জন্য। আপনি এক মাস উপার্জন দেখে বুঝতে পারবেন না। গুগল Auto Ads ঠিক মতো কাজ করার জন্য আপনাকে কমপক্ষে এক মাস অপেক্ষা করতে হবে। তারপর দেখবেন এটা থেকে আপনার খুব দ্রুত আয় হচ্ছে।


ইংরেজি ব্লগ থেকে আয় করবেন কারা?

এখন আপনি কি বাংলা ব্লগের থেকে নয়, বরঞ্চ ইংরেজি ব্লগ থেকে আয় করতে চাইছেন? কারণ ইংরেজি ব্লগ সাইটে অনেক বেশি আয় হয়। তাছাড়া ইংরেজি ব্লগ থেকে ট্রাফিক জেনারেট সহজ। ইংরেজি আর্টিকেল লিখতে জানেন? আপনার জন্য তাহলে ইংরেজি ব্লগ সাইট হবে সর্বোত্তম।

কারণ সেখান থেকে একইভাবে এ দেশের ট্রাফিক আনতে পারবেন।  পুরো বাংলাদেশ সহ পুরো পৃথিবীতে ইংরেজি লেখালেখি পড়া হয়। একইভাবে ইংরেজি ব্লগ সাইটগুলোর থেকে 10 গুণ বেশি আয় আসবে এটাই স্বাভাবিক।

 

ইংরেজি ব্লগিং করে মাসে 500 ডলার থেকে 2000 ডলার উপার্জন করা মোটেও কঠিন কিছু নয়। আপনার ব্লগ সাইট যদি সফলতা লাভ করে, ভালো ট্রাফিক জেনারেট করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি কিছু কন্টেন্ট সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ হয়ে যায়। মানে হলো গুগলের প্রদর্শন করে।

তথ্য সংগ্রহ:

Google Adsense

Wikipidea

Blogger

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url