গ্লোবাল ই-স্পোর্টস মার্কেট ভ্যালুর আদ্যোপান্ত - ই স্পোর্টস ও বাংলাদেশ

 আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজকের এই ব্লগে আমরা আলোচনা করব, "গ্লোবাল ই-স্পোর্টস মার্কেট ভ্যালুর আদ্যোপান্ত - ই স্পোর্টস ও বাংলাদেশ" সম্পর্কে।  

গ্লোবাল ই-স্পোর্টস মার্কেট ভ্যালুর আদ্যোপান্ত - ই স্পোর্টস ও বাংলাদেশ

গ্লোবাল ই-স্পোর্টস মার্কেট ভ্যালু

ই- স্পোর্টস "eSports" শব্দটি আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক ভিডিও গেমিং ইভেন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। যেখানে পেশাদার এবং অপেশাদার খেলোয়াড়রা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। 2022 সালে, বিশ্বব্যাপী eSports বাজারের মূল্য ছিল মাত্র 1.38 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। উপরন্তু, eSports শিল্পের বৈশ্বিক বাজারের আয় 2025 সালে 1.87 বিলিয়ন মার্কিন ডলারে রূপান্তরিত হবার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আয়ের দিক থেকে পৃথিবীর ই-স্পোর্টস বাজারের প্রতিনিধিত্ব করছে এশিয়া এবং উত্তর আমেরিকা। ই-স্পোর্টস মার্কেটের প্রায় এক পঞ্চমাংশ চীনের দখলে।

ইস্পোর্টস বাজার কি এবং রাজস্বের উৎস কি?

২০২১ সালে eSports বাজারের আয়ের সবচেয়ে বড় অংশটি এসেছে স্পন্সরশিপ এবং বিজ্ঞাপন থেকে । সব মিলিয়ে, 2021 সালে স্পনসরশিপ এবং বিজ্ঞাপন থেকে বিশ্বব্যাপী eSports বাজারের আয় ছিল মোট 641 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

গ্লোবাল ই-স্পোর্টস মার্কেট ভ্যালুর আদ্যোপান্ত - ই স্পোর্টস ও বাংলাদেশ

বিশ্বব্যাপী কতজন মানুষ ইস্পোর্টস দেখে?

2022 সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী eSports দর্শকের সংখ্যা 532 মিলিয়ন। 2025 সালের মধ্যে, বিশ্বব্যাপী ই-স্পোর্টের 640 মিলিয়নেরও বেশি দর্শক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গ্লোবাল ই-স্পোর্টস মার্কেট ভ্যালুর আদ্যোপান্ত - ই স্পোর্টস ও বাংলাদেশ 

বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেখানে ই-স্পোর্টস থেকে বিলিয়ন ডলার আয় করছে সেখানে বাংলাদেশের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। ই-স্পোর্টসের অন্যতম প্লাটফর্ম ফ্রী ফায়ার এবং পাবজি ব্যান করে রাখা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের ই-স্পোর্টস প্লেয়ারদের গুরুত্ব এবং গুনগত মান উর্ধ্বমুখী। সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তাদের দক্ষতা আরো বহুগুন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব পেতে পারতো।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url